শ্যামাপূজা র প্রস্তুতি,




বাবাই সূত্রধর,গঙ্গারামপুর,

দক্ষিণ দিনাজপুর,


 19 সচেতনতার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক বার্তার  মধ্য দিয়ে খুঁটি পুজো করে শ্যামা পুজোর প্যান্ডেলের কাজ শুরু করলেন পদাতিক ক্লাব। মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর  জেলার  গঙ্গারামপুরের কালদিঘিতে অবস্থিত পদাতিক ক্লাব এর কর্মকর্তারা ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে করোনার  অতিমারি কথা মাথায় রেখে স্যানিটাইজ করে ও মাক্স পড়ে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে  খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে তাদের ক্লাবের পরিচালিত শ্যামা পুজোর প্যান্ডেলের কাজ শুরু করেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি, সম্পাদক, সহ-সম্পাদক সহ আরো অন্যান্য সদস্যরা। বিগ বাজেটের পূজো না করে মানুষকে কোভিদ 19 এর বিষয়ে সচেতন করবেন বলে জানিয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
             দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিগ বাজেটের শ্যামা পূজো গুলির মধ্যে অন্যতম গঙ্গারামপুরের কালদিঘি পদাতিক ক্লাব। এ বছরে তাদের ক্লাবের পরিচালিত শ্যামা পূজো ৪৬ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। প্রতিবছরই বিগ বাজেটের পুজোর মধ্য দিয়ে পুজো মণ্ডপ কে চমক প্রদর্শন করে জেলাবাসীর মনে একটু আলাদা অনুভূতি যোগায় এই ক্লাবটি। বর্তমান সময়ে করোনার মত অতিমারির জন্য এ বছরে পদাতিক ক্লাবের কর্মকর্তারা বিগ বাজেটের পূজা করে মানুষকে করোনার  হাত থেকে রেহাই এর জন্য বারবার হাত স্যানিটাইজ  করা, মাক্স পরা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সচেতন করার উদ্যোগ নিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। পদাতিক ক্লাবের কর্মকর্তা ও সদস্যরা হিন্দু-মুসলিমের মেল বন্ধনে আবদ্ধ থাকায় সাম্প্রদায়িকতার বার্তাও তারা এই শ্যামা পুজোর মধ্য দিয়ে সকলের মাঝে তুলে ধরেন। মঙ্গলবার সকালে শ্যামাপুজোর ধর্মীয় রীতিনীতি মেরে খুঁটি  পুজোর মধ্য দিয়ে তাদের ক্লাব পরিচালিত শ্যামা পুজোর প্যান্ডেলের তৈরির কাজ শুরু করেন তারা। এদিনের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন  পদাতিক ক্লাবের সভাপতি তপন মজুমদার, ক্লাব সম্পাদক আনন্দ দাস, সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক সরকার, ক্লাবের সদস্য ব্রযো প্রামাণিক সহ একাধিক ক্লাস সদস্যরা।

এ বিষয়ে পদাতিক ক্লাবের সম্পাদক আনন্দ দাস জানিয়েছেন,পদাতিক ক্লাব সারা বছরই মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যায়,বর্তমান সময়ে চারদিকে যেভাবে করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেদিকে নজর রেখে এবছর আমাদের ক্লাবের পরিচালিত শ্যামা পূজো বিগ বাজেটের না করে, কোভিদ 19 এর সচেতনতা দিকে নজর দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে পদাতিক ক্লাবের সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক সরকার জানিয়েছেন,কালদিঘি এলাকায় হিন্দু মুসলিম সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। জাতির ভেদাভেদ না করে আমরা সারা বছরই একসঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করে যায় এবং আমাদের ক্লাবের পরিচালিত শ্যামা পূজো সমস্ত জাতি আনন্দ ভোগ করে থাকে।আমরা জাতি ভেদাভেদ না করে সবাই মিলে মিশে থাকতে ভালোবাসি।

0/Post a Comment/Comments

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com