থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীকে রক্তদান করলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার,উলুবেড়িয়া




নিজস্ব প্রতিবেদক,উলুবেড়িয়া,





মজদুরির কাজ করে মলয় সামন্ত। লক ডাউনের সময় থেকে প্রতিদিন কাজ নেই। হেঁসেলের দুশ্চিন্তায় দিন কাটে মজদুর ঘরনি কবিতা সামন্তের । দুই ছেলের মুখে খাবার কি করে উঠবে চিন্তায় গরীব পরিবার। তারই মধ্যে  চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে এক সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগ। প্রতি মাসে ব্লাড ট্রান্সফিউশন করতে হয় মজদুর সন্তান কূশল সামন্তের । তার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে দাঁড়িয়েছিল ৪.২। আট বছরের কূশলের এ নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ।লক ডাউনের সময় থেকেই সরকারী ব্লাড ব্যাংক গুলিতে রক্তশূন্যতা । 



করোনা আতঙ্কে ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দিতে আসছেন না অনেকেই।এমন অবস্থায় ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের রক্ত যোদ্ধারা সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্ত দিচ্ছেন প্রতিদিন।শুক্রবার রাতে গ্রুপ সদস্যা সুদীপা ব্যানার্জির কাছে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু কূশলের মা রক্তদান করে তার ছেলেকে বাঁচানোর আর্জি জানান, এ নেগেটিভ রেয়ার ব্লাড গ্রুপ হওয়ার কারনে হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ সদস্যারা রক্ত পাচ্ছিলেন না। সোস্যাল মিডিয়াতে গ্রুপ সদস্য রেজাউল করিম এ নেগেটিভ রক্তদাতার খোঁজ করেন। 



জানতে পেরে হাওড়া গ্রামীন জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেই রাতেই গ্রামীন এলাকার সমস্ত থানায় রক্তদাতার খোঁজে বার্তা পাঠানো হয়। রাতেই জগৎবল্লভপুর থানা থেকে ম্যাসেজ আসে রক্তদাতা পাওয়া গিয়েছে । পুলিশের পক্ষ থেকে ব্লাড ডোনার হোয়াটস গ্রুপ কে রক্তদাতার কথা জানিয়ে দেওয়া হয় ।শনিবার সকালেই জগৎবল্লভপুর থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার দিলীপ রায় হাওড়া গ্রামীন জেলায় পুলিশের হেড কোয়ার্টারে আসে। এরপর ব্লাড ডোনার গ্রুপের সদস্য রেজাউল করিম বাইকে চাপিয়ে দিলীপ রায় কে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে নিয়ে আসেন।
AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com