ভার্চুয়াল মঞ্চ থেকে নিজের প্রতিভা তুলে ধরছেন মৌ



রুপম দাস , কলকাতাঃ 

 করোণা আবহে যখন থমকে গেছে গোটা পৃথিবী। বন্ধ হয়েছে মানুষের সঙ্গে মানুষের দেখা স্কুল ,কলেজ, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি সহ বিনোদনের প্রায় সমস্ত মাধ্যম। কিন্তু তাও মানুষ থেমে থাকেনি নিজের প্রতিভাকে বাইরে আনার জন্য তেমনি কয়েকজন সঙ্গীতপ্রেমী তরুণ তরুণী সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এবং এই কঠিন সময়ে সংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে মানুষের মনের আনন্দ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এবার ভার্চুয়াল মঞ্চের পর্যায় উন্মোচন করলেন। আর এই কাজের মুখ্য চরিত্রে যিনি রয়েছেন তার নাম গানের জগতে ইতিমধ্যেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি নন বাংলা পুরাতনী ও ভক্তি মূলক গানের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নাতনি এবং রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা মৌ চট্টোপাধ্যায়। তার প্রথম ডিজিটাল কনসার্ট খোলা হাওয়া প্রবাল জনপ্রিয়তার সাথে মানুষের মনে একটা জায়গা করে নিয়েছে। তারই প্রথম অনলাইন মিউজিক্যাল কনসার্ট ছিল গত ৯ আগস্ট সন্ধে সাড়ে আটটায়। সেই দিনই ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে পরিবেশিত হয় মৌ চট্টোপাধ্যায় সংগীত। পুরো অনুষ্ঠানটির মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন মৌয়ের দাদা ঋষি চট্টোপাধ্যায়। এইরকম পারিবারিক চর্চা থেকে উঠে আসা মৌ প্রথম নিজের ক্যারিয়ার শুরু করে সারেগামাপা মিউজিক (এইচএমভি) কোম্পানির হাত ধরে। ভার্চুয়াল মঞ্চে বাংলা গানের পাশাপাশি তিনি হিন্দি গান এবং গজল মানুষকে উপহার দিয়েছেন। যে সকল শ্রোতার গান শুনেছেন তাঁরা প্রত্যেককেই এই উপস্থাপনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। খোলা হাওয়া অবশ্যই প্রথমে ওয়েব ডিজিটাল প্রোগ্রাম ছিল। সেখানে মৌয়ের সঙ্গে গান করেছেন বাংলার জনপ্রিয় গায়ক শিল্পী কিঞ্জল। মৌ জানিয়েছেন ভার্চুয়াল ভাবে মানুষের কাছে পৌঁছতে খোলা হাওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল গান কে সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। করো না পরিস্থিতির জন্য গত চার-পাঁচ মাস যাবৎ কোন স্টেজ শো করা সম্ভব হয়নি কবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে তা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। কিন্তু এই রূপ পরিস্থিতিতে থেমে থাকা যায় না এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের মানসিকভাবে সুস্থ থাকাটা খুব জরুরি। তাই মৌ জানিয়েছেন সংগীতের থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে না। তাই ভার্চুয়াল ভাবে খোলা হাওয়ার" মাধ্যমে দর্শকের কাছে নিজেদের প্রতিভাকে তুলে ধরাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।


0/Post a Comment/Comments