রাতের অন্ধকারে পাচার করতে গিয়ে জলে তলিয়ে গিয়েছিল এক ব্যক্তি





বাবাই সূত্রধর, গঙ্গারামপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর


;রবিবার গভীর রাতে নেশার জিনিস গোপনে বাংলাদেশে রাতের অন্ধকারে পাচার করতে গিয়ে জলে তলিয়ে গিয়েছিল এক ব্যক্তি ।তাকে বাকি পাচারকারীরা  জলের মধ্যে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ তুলল মৃতের পরিবারের লোকজনেরা ।রবিবার গভীর রাতে এমন  ঘটনাটি ঘটেছিল গঙ্গারামপুর থানার হামজাপুর সীমান্তবর্তী এলাকার মাধবপুর পুনর্ভবা নদীতে বলে মৃতের আত্মীয় স্বজনরা দাবি করেছেন ।মঙ্গলবার সকালে ওই যুবকের জলে ডোবা মৃতদেহ গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ যাদববাটি  পুনর্ভবা নদী ঘাট  থেকে  উদ্ধার করে ।মৃতের  ধরন নিয়ে এলাকাবাসীর অন্য কিছু হতে পারে বলে জানালেও মৃতের আত্মীয় স্বজনেরা তাঁকে খুন করে বাকি পাচারকারীরা জলে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পাঠিয়ে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। 



               পুলিশ জানায় মৃত ব্যক্তির নাম মোজাহার চৌধুরীর বয়স ৪৫ বছর ।তার বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার হামজাপুর সীমান্তবর্তী এলাকার মাধবপুরে এলাকায়।                             মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার রাতে এলাকার বেশ কয়েকজন মিলে সে বাংলাদেশের নেশার জিনিস পাচার  করতে যাবে বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের লোকজনদের।রাতে সে আর ফিরে আসেনি বলে তার পরিবারের লোকজন এটা জানিয়েছেন।সোমবার সকালে মৃতের প্রতিবেশী যাদের সঙ্গে সে ওই কাজে গিয়েছিল তারা তার বাড়িতে গিয়ে জানিয়েছিল যে, মোজাহার নদীর জলে ডুবে গেছে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।এর পরেই মাধবপুরে পুনর্ভবা নদীতে ব্লক অফিসে আবেদন করে ডুবুরি নামিয়েও তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।মঙ্গলবার সকালে গঙ্গারামপুর থানা যাদববাটি পুনর্ভবা নদীর পাড়ে জলে ডোবা মৃতদেহ দেখতে পায় এলাকার লোকজনরা ।তারাই গঙ্গারামপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়, পুলিশ নিখোঁজ হওয়া ওই যুবকের বাড়িতে খবর পাঠালে তারা এসে মৃতদেহ শনাক্ত করে ।

যাদববাটি এলাকাবাসী অভয় চক্রবর্তী ও অধর ভবনের জানিয়েছেন, আমরা এসে দেখতে পেলাম নদীর পাশে একটি মৃতদেহ ভেসে উঠেছে।দেখে মনে হচ্ছে কিছু ক্ষত চিহ্ন আছে পুলিশ তদন্ত করলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে ।  মৃতের দাদা মোস্তাক চৌধুরী, ভাগ্নে শাহাজান আলীর অভিযোগ করে বলেন, পাচার করার জন্য যারা নিয়ে  গিয়েছিল তারা ওকে মেরে ফেলে জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।কারণ জলে ডুবে গেলে কেন তারা কিছুই করতে পারল না ।থানায় অভিযোগ জানিয়েছে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে কড়া ব্যবস্থা নেই সেটাই চাই ।
পুলিশ জানিয়েছে, মাছ ধরতে গিয়ে একজন নিখোঁজ হয়েছিল বলে অভিযোগ পেয়েছিলাম ।মৃতদেহ পাওয়া গেছে ,কারণ জানতে ময়নাতদন্তে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  এমন ঘটনায় মৃতের পরিবার সহ এলাকার জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0/Post a Comment/Comments