মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ঘোষিত ফলাফলে রাজ্যের মেধাতালিকার প্রথম দশে স্থান করে নিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের দুই শিক্ষার্থী





নিজস্ব সংবাদদাতা,  বালুরঘাট,  ১৫ জুলাই ;  


 মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ঘোষিত ফলাফলে রাজ্যের মেধাতালিকার প্রথম দশে স্থান করে নিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের দুই শিক্ষার্থী।এবারের  জেলার বংশীহারী হাইস্কুলের ছাত্র অঙ্কিত সরকার যথাক্রমে ৬৮৮ এবং বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী রূপসা সাহা   ৬৮৩ নম্বর পেয়ে রাজ্যে পঞ্চম  ও দশম স্থান অধিকার করেছে ওই দুই শিক্ষার্থী। মেধার ভিত্তিতে উত্তরবঙ্গে প্রথম স্থান পেয়েছে অঙ্কিত সরকার। জেলা এমন  দুই সফলতায় খুশী জেলাবাসী।
             কোভিড ১৯ অতিমারির জেরে এবার নির্ধারিত সময়ের থেকে অনেক দেরী করে মাধ্যমিক পরীক্ষার  ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
বুধবার মধ্য শিক্ষা পর্ষদ ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে।  পরীক্ষা শেষের ১৩৯ দিন পর ফলাফল প্রকাশ হলেও জেলাবাসীকে নিরাশ করেনি দুই কৃতি ছাত্র-ছাত্রী। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ দ্বারা প্রকাশিত মেধা তালিকা সূত্রে খবর, মাধ্যমিকে রাজ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে বংশীহারী হাই স্কুলের ছাত্র অঙ্কিত সরকার তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮,অঙ্কিতের পরিবার বুনিয়াদপুরে ভাড়া থাকতেন, বাড়ি মালদা জেলার বাঁশবাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবা ফিরোজ খান পেশায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। মা সুলতানা নারগিজ গৃহবধূ। আগামীতে ছেলের ইচ্ছে মত পড়াশোনা করাতে সব রকমের সহযোগিতা করবেন তারা। একই সাথে এই সাফল্যের জন্য অঙ্কিতের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে অন্যান্য গুরুজনদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফিরোজ খান ও সুলতানা নার্গিস।ছেলের এই বিরাট সাফল্যে খুশির হাওয়া খান পরিবারে। 
অন্যদিকে,মাধ্যমিকে রাজ্যে দশম স্থানের অধিকারী রুপসা সহ বালুরঘাট গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩। বালুঘাট শহরের চকভবানী এলাকার বাসিন্দা পেশায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক গৌতম সাহার মেয়ে রুপসা। এবারে টেস্ট পরীক্ষাতেও সে আশানুরূপ ফল করেছিল। ফলে স্বভাবতই মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল এর আশায় ছিলেন বাড়ির সকলে।আগামীতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে রুপসা সাহার। রুপসা জানিয়েছে, প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন করাটাই তার কাছে একটা বড় কাজ ছিল। তবে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য বাড়তি কোনো সময় দিয়ে পড়তে হয়নি তাকে। তার এই সাফল্যের জন্য স্কুল শিক্ষিকা গৃহ শিক্ষিক থেকে শুরু করে অভিভাবক অভিভাবিকাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে রুপসা।

রূপসার মা সুমন সাহা ও বাবা গৌতম সাহা জানিয়েছেন, তাদের মেয়ে ভালো ফল করবে এটা আশা করেছিলেন। স্কুল শিক্ষকদের আশা পূর্ণ করেছে সে। আগামী দিনে এগিয়ে যাওয়ার পথে মেয়েকে সবধরনের সহযোগিতা করবে তারা।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670