কুসংস্কার কে উপেক্ষা করে বিজ্ঞানের সত্য জানতে সর্বস্তরের মানুষকে সামিল করাল ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি হাওড়া,







*কুসংস্কার কে উপেক্ষা করে বিজ্ঞানের সত্য জানতে সর্বস্তরের মানুষকে সামিল করাল ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি হাওড়া শাখা*





২১ শে জুন ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় সারা রাজ্যের সঙ্গে হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও কুসংস্কার কে উপেক্ষা করে বিজ্ঞানের সত্য জানতে বহু মানুষ সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। 



বিজ্ঞান সংগঠনের পক্ষ থেকে পিন হোল ক্যামেরা (সূচীছিদ্র ক্যামেরা) তৈরি বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শেখানো চলছিল যাতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেরাই এটা তৈরী করে নিতে পারে। এছাড়া মিরর প্রজেকশন (দর্পণ প্রতিবিম্ব) করে দেখার সহজ পদ্ধতিও তাঁরা শেখান আগে থেকেই।



 বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পে এগুলির সাথে ছিল ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটির প্রস্তুত করা সান ফিল্টার যা ISO-12312-2-2015 দ্বারা সার্টিফায়েড। 


প্রতিটি জায়গায় কুসংস্কার নয়, বিজ্ঞান ই হোক চিন্তার হাতিয়ার এই ছিল মূল কথা। সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝে যখন চাঁদ এসে পড়ে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে। সেখানে তখন সূর্যগ্রহণ হয়। এর পিছনে বিজ্ঞানের নিয়ম ছাড়া অন্য কিছুই নেই এটা বুঝে নেন সকলেই।


আবহাওয়া খারাপ থাকায় একটানা দেখা না গেলেও মনোমুগ্ধকর এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ থেকে বাদ পড়েনি কেউই। সবাই অসীম ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করেছিলেন, মেঘ একটু সরে যেতেই উঁকি দিচ্ছিল গ্রহণরত সূর্য। বেলা 10.46 টা থেকে দুপুর 2.17 পর্যন্ত গ্রহণ চলে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পর্যবেক্ষণ চলে সর্বত্র। পর্যবেক্ষণ চলাকালীন খাবার খাওয়া হয়। সূর্যগ্রহণের সঙ্গে করোনা বা কোভিড-১৯ এর কোন সম্পর্কের কথা বিজ্ঞানীরা কখনোই বলেননি। বিরল বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের আংশিক গ্রাস (খণ্ডগ্রাস) দেখা যায় এখানে। বিজ্ঞানীরা আগেই বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে হিসেব করে জানিয়ে দিয়েছিলেন কোন অঞ্চল থেকে সূর্যকে কতটুকু ঢাকতে দেখা যাবে। বাস্তবেও সেটাই দেখা যায়।


আন্দুল, মৌড়ীগ্রাম, পাকুড়তলা, পোদড়া, বি গার্ডেন, শালিমার, শ্যামপুর, বেলুড়, দাশনগর, বালটিকুরি সহ বহু স্থান থেকে বহু মানুষকে সূর্যগ্রহণ দেখানোর ব্যবস্থা করে ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি হাওড়া শাখা।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670