লকডাউনে দুস্হ নিরন্ন মানুষদের হাতে আর্থীক সহায়তা

 



অলোক আচার্য ,নিউ বারাকপুর :

লকডাউনে চরম বিপর্যয়ে অসহায় গরীব দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলি সংকটে। রোজগার বন্ধ। হাতে নেই অর্থ। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা কাউন্সিলরা আবার সমাজসেবীরা খাদ্যসামগ্রী বা রান্না করা খাবার পৌছে দিচ্ছে বিপন্ন মানুষদের পাশে দাড়িয়ে। 

কিন্তু অসহায় পরিবার বা মানুষদের হাতে নেই টাকা। ঠিক এই চরম সংকটময় পরিস্হিতিতে অসহায় গরীব মানুষদের পাশে দাড়িয়ে সাধ্যমতো মাথাপিছু দুশো টাকা তুলে দিল নিউ বারাকপুর রবীন্দ্রপল্লী সামান্হা সাহিত্য ওসংস্কৃতি পত্রিকা। 




বুধবার সকালে নিউ বারাকপুর পুরসভার ১৯নং ওয়ার্ডের রবীন্দ্রপল্লী ব্যায়াম সমিতি গৃহে এলাকায় দিনমজুর রাজমিস্ত্রি রিক্সা ও ভ্যন চালক পরিচারিকার অটোরিক্সা চালক লেবার দেরমতো দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের হাতে মাথাপিছু দুশো টাকা তুলে দিলেন সামান্হা সাহিত্য ওসংস্কৃতি পত্রিকার সম্পাদক হরিদাস বালা,স্হানীয় পুরপিতা অশোক কুমার মিত্র,সমাজসেবীকা স্নেহলতা বালা,শর্মিষ্ঠা রায়,স্বপ্ননীল রায়,প্রাক্তন ফুটবলার জাগ্রত সরকার,দেবব্রত সরকার,শংকর বোস সহ বিশিষ্ট জনেরা। নি:সন্দেহে একটি ব্যতিক্রম  বিরল মানবিকতার নজির দৃষ্টান্ত গড়ল সাহিত্যপ্রেমী হরিদাস বালা। 




হরিদাস বালা বলেন করোনা মহামারী বিপর্যয়ে অসহায় নিরন্ন মানুষদের পাশে দাড়িয়ে অনেকই ত্রাণ বিলি করছেন। কিন্তু অসহায় পরিবারগুলি ভীষণ আর্থীক সংকট এই চরম বিপর্যয়ে। তাই নিউ বারাকপুর পুরসভার ১৯নং ওয়ার্ডের রবীন্দ্রপল্লী এলাকায় অসহায় গরীব মানুষদের প্রায় ৮০ জনের হাতে দুশো করে টাকা তুলে দেওয়া হল। কুপন দিয়ে প্রত্যেকের হাত স্যানিটাইজ করে দূরত্ব বজায় রেখে একে একে খামে ভরা দুশো করে টাকা তুলে দেওয়া হয়। 




হরিদাস বালা আরও বলেন তার ছেলে বাবলার স্মৃতিতে এই দুর্যোগে সংকটময় পরিস্হিতিতে আর্ত মানুষের হাতে আর্থীক সহায়তা করা হয় এদিন দুস্থদের। অসহায় একাকী বৃদ্ধ বৃদ্ধারা হাতে দুশো টাকা পেয়ে বেজায় খুশি।

0/Post a Comment/Comments