খবরের জেরে কোয়ারেন্টেন সেন্টারে খাবারের সমস্যা মিটলো




মালদা;২৮ এপ্রিল: 

করোনা ভাইরাস এর জেরে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এই লক ডাউন এর মধ্যে বাংলার গ্রামে গঞ্জে ফিরতে শুরু করেছে পরিযায়ী শ্রমিকরা। 





এলাকায় ফিরতে প্রশাসনিক নজরদারিতে তাদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হচ্ছে ।

 কয়েকদিন আগেই মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায় এমনই এক কোয়ারান্টাইন সেন্টারে শ্রমিকদের বাসি খাবার বিলি নিয়ে বিতরকের সূত্রপাত হয়।এই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

 এর ফলে তার পরদিন থেকেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার আইটিআই কলেজের কোয়ারান্টাইন সেন্টারে স্বাস্থ্যসম্মত টাটকা খাবার বিলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর প্রশাসন। 

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকেটে টাটকা খাবার পেয়ে খুশি ওই সেন্টার এর পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ দশ দিন কেউবা বারো দিন ধরে ওই সেন্টারে আছেন। 

কেউবা কদিন পরেই বাড়ি চলে যাবেন। এদের মধ্যে এক শ্রমিক রঞ্জিত গোস্বামী জানালেন এর আগে আমাদেরকে বাসি গন্ধ যুক্ত খাবার দেওয়া হতো। কিন্তু দুদিন থেকে আমাদেরকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকেট গরম টাটকা খাবার দেয়া হচ্ছে।

 তিনবেলা আমাদেরকে খাবার দেওয়া হয়। এখন খাবার দাবার নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে অনেকেই এখানে দশ থেকে বারো দিন ধরে আছেন। অনেকের বাড়ি যাওয়ার সময় চলে এসেছে।

 কিন্তু বুঝতে পারছি না আর কতদিন এখানে থাকতে হবে। আমরা চাইছি খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যেতে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত শুক্রবার গভীর রাত্রে ওই কয়ারিন্টেন সেন্টারে বাসি খাবার দেওয়া নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিক ও খাবার বিলি করা সংস্থার লোকজন দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।




 অভিযোগ ওঠে ওই ঘটনার জেরে সংস্থার লোকেরা শ্রমিকদের মারধর করে। ঘটনার খবর পরের দিনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। 

এর জেরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরের দিন থেকেই অ্যালুমিনিয়াম ফল পাকে তিনবেলা খাবার পরিবেশন হয়ে থাকে।
এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর 1 নং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অমল কৃষ্ণ মন্ডল জানান প্রথমদিকে প্লাস্টিকের প্যাকেটে গরম খাবার ভরে দেওয়াতেই একটা গন্ধ হচ্ছিল খাবারে। 

কোনদিনও কোন বাসি খাবার দেওয়া হয়নি। শ্রমিকদের দাবি মতো আমরা এখন থেকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বাকি খাবার পরিবেশন করার নির্দেশ দিয়েছি খাবার পরিবেশনকারী সংস্থাকে। এখন কোন পক্ষেরই কোন সমস্যা নেই।

0/Post a Comment/Comments