খননের কাজ আজ পযন্ত শুরু না হওয়ায় ইতিহাসবিদ মানুষ জনেরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।




বাবাই সূত্রধর,

দক্ষিণ দিনাজপুর,১এপ্রিল;


প্রথম খননকার্যের ১১ বছর পরেও বহু ইতিহাস জড়িত  বানগড়ে আর কোন খননের কাজ আজ পযন্ত শুরু না হওয়ায় ইতিহাসবিদ থেকে শুরু করে ভ্রমণ প্রিয় মানুষ জনেরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এমনকি সেই সময়ে খনন কার্যের ফলে যে সমস্ত সভ্যতা উঠে এসেছিল সেই নির্দশন গুলি বানগড়ের পাশে সংরক্ষণ পযন্ত করা হয় নি ।

দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৫নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে এই বানগড়ের বিরাট আকারে ঢিপি টি পড়ে।

ফলে অনেক সময় সেখানে সমাজ বিরোধীদের আনাগোনা দেখা যায়।বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ ড: সুকান্ত মজুমদার সাংসদে পুনরায় বানগড়কে খননের দাবি তুলেছেন,তাকে আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তরফে।নতুন করে খনন কার্যের শুরু হলে গঙ্গারামপুর এর এই বানগড় ঘিরেই বিরাট আকারে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠবে বলে মনে করছেন অনেকেই।



         গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৫নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে ঐতিহাসিক বানগড়ের এই ঢিপি টি রয়েছে।

২০০৯ সালের তত কালীন বামেদের এজেলায় সাংসদ রণেন বর্মণের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে পাটনার বিভাগের আর্কলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দপ্তর থেকে বহু দিন ধরে বানগড়ের ঢিপির বিভিন্ন অংশে খনন কার্য্য করা হয়েছিল।

সেই সময় খনন কার্যের ফলে বহু সভ্যতা উঠে এসেছিল সেখান থেকে।কিন্তু ওই পযন্তই শেষ।সেই সময়ে খনন কার্যের ফলে সে সমস্ত সভ্যতার নিদর্শন গুলি পাওয়া গিয়েছিল সেগুলি বানগড়ে না রেখে বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছিল।



এই বানগড়কে ঘিরেই তার আশেপাশে থাকা বিভিন্ন নিদর্শন গুলি আজ অবহেলায় পরে রয়েছে বলে অভিযোগ ।এখন যারা বানগড়ের ইতিহাস জানতে আসছিলেন তারা এসে সেখানকার নিদর্শন প্রায় না দেখেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

 বানগড়ে ঘুরতে আসা ক্ষীতিশ মাহাতো,নিখিল বর্মনেরা অভিযোগ করে বলেন,পৌরাণিক স্থান এই বানগড়ে  সময় পেলেই এখানে ছুটে আসি।


এসে যা দেখলাম তা দেখে মনে হচ্ছে প্রশাসনের নজরদারি দরকার রয়েছে।জেলাবাসী হিসাবে চাইব এটা একটি পর্যটক কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠুক।বানগড়ের নাম পৃথিবীর মানচিত্রে জায়গা পাক সেটাই চাই।



পিন্টু কুন্ডু নামে এক এলাকা বাসিন্দা জানিয়েছেন,বানগড়কে ঘিরে পর্যটক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠলে এলাকার বিরাট পরিবর্তন হতে পারে অর্থনৈতিক দিক থেকে ।সেই বিষয়টির উপরে সরকার নজর দিলে ভালো হয়।





সরকারের বঙ্গরত্ন পুরষ্কার প্রাপ্ত সাহিত্যিক সুকুমার সরকার জানিয়েছেন,বানগড়কে ঘিরে সরকার চাইলে আরো অনেক ইতিহাস বের করতে পারে।মাঝপথে কাজ বন্ধ থাকায় বহু ইতিহাস অজানা রয়েছে মাটির তলাতেই।সেই বিষয়টির উপরে নজর দিয়ে পুনরায় খননের কাজ শুরু করলে ভালো হয়।


বানগড়ে আসা পর্যটকদের দেখভাল করা করা কর্মী অরিজিৎ বিশ্বাস ও বানগড় দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী অর্জুন সাওরা জানিয়েছেন,প্রচুর পর্যটকেরা এখানে আসছে ।তারা আরো বেশি করে জানতে চাই।পুরো পরিস্থিতির বিষয়টি আমরা দপ্তরে জানিয়েছি।
ইতিমধ্যে বালুরঘাটে বিজেপির  সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সাংসদে পুনরায় বানগড়কে খননের দাবি তুলেছেন,তাকে আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তরফে বলে জানা গিয়েছে।



এখন দেখার এটাই লক ডাউনের পরে কবে নাগাদ নতুন ভাবে গঙ্গারামপুর এর এই বানগরের পুনরায় খননের কাজ শুরু করা হয় কিনা সেই দিকে তাকিয়ে জেলা বাসি।

0/Post a Comment/Comments

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com