নীলাঞ্জন ঘোষ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা,

বাবাই সূত্রধর,

দক্ষিণ দিনাজপুর,১৫ জানুয়ারি; 



নীলাঞ্জন ঘোষ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর এর ফুটবল ময়দানে।

 ক্রীড়া পতাকা উত্তোলনের পর 14 টি ইভেন্টে খেলা হয় এদিন। 

যেখানে গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক হব ব গৌতম দাস , স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ আরো অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিতজ ছিলেন। 

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয় ।

 স্কুল সূত্রের খবর নীলাঞ্জন ঘোষ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুল ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে বর্তমানে ছাত্র ছাত্রী রয়েছে প্রায় পনেরশো মত। 

শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ জন। স্কুল সূত্রে আরো জানা যায় স্কুলে তেমন কোন খেলার পর্যাপ্ত মাঠ না থাকায় স্কুলের মধ্যে যতটুকু জায়গা রয়েছে সেখানে ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা করে থাকে। 




প্রতি বছরের মতো এবারও ২০ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত করা হয় গঙ্গারামপুরের ফুটবল; ময়দানে। 

যেখানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক গৌতম দাস, স্কুলের প্রধান শিক্ষক জ্যোতির্ময় রায়, স্কুলের শিক্ষিকা তথা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবযানি দত্ত, গঙ্গারামপুর হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক মাধবেন্দ্র নাথ সরকার, ক্রীড়া প্রেমি সুরজিৎ বিশ্বাস সহ আরো অনেকেই। 

এদিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন করে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সূচনা করেন গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক গৌতম দাস। 

এদিনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কে কেন্দ্র করে মোট ১৪টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা করানো হয়।

 ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃতও করা হয় এদিন। 

 গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক গৌতম দাস জানিয়েছেন, খেলাধুলা ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক স্বাবলম্বী করতেন সাহায্য করে।

তাই প্রতিবছরের মতো এ বছরেও নিরাঞ্জন ঘোষ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত করা হলো। নীলাঞ্জন ঘোষ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের প্রধান শিক্ষক জ্যোতির্ময় রায় জানিয়েছেন, আমাদের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কুড়ি বছর ধরে করে চলেছি। 

স্কুলের খেলার মাঠ তেমন না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা কিছুটা অসুবিধা হয়। যেটুকু মাঠ রয়েছে সেখানেই ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা করে থাকে। 

আর আজ বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা করা হলো। এবং প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হলো।

0/Post a Comment/Comments