হাওড়ায় ,বুলবুলে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আবেদন গ্রহণ শিবির শুরু হলো,,,,

নিজস্ব প্রতিবেদক, 




 হাওড়ায় ,বুলবুলে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আবেদন গ্রহণ শিবির শুরু হলো,,,, 

সাম্প্রতিক বুলবুল ঝড়ে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। 

হাওড়া জেলার আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জয়পুর ও আমতা এছাড়াও হাওড়া গ্রামীন জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়া, শ্যামপুর, রাজাপুর, উদয়নারায়ণপুর বাগনান এলাকায় এলাকায় প্রচার করে বুলবুল ঝড়ের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য ধান, পান,ফুল, সবজি, শাক ,তৈল্যজ ও কড়াই ,বাদ যায়নি নিম্ন মানের কাঁচা ঘরবাড়ি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ,




গাছপালা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার উদাহরণ সূত্রে জানা যায়।মা মাটি মানুষের জননেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ময়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঐ বিধ্বংসী বুলবুল ঝড়ের গতি প্রকৃতি দিবারাত্রি পর্যবেক্ষণ করেন ও জনপ্রতিনিধি ও আধিকারিক বর্গ দের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ ও রাজ্যে বুলবুল ঝড়ে ক্ষয় ক্ষতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন ও পরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এলাকায় প্রতিনিধি দল পাঠান , 

আকাশ পথেও খোঁজ খবর চলে বলে জানা গেছে। এতো কিছুর পরও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোন আর্থিক সহায়তায় পাওয়া যায়নি বলে রাজ্যের তরফে অভিযোগ,পাল্টা অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রের ।

 হাওড়া জেলার গ্রামীন এলাকায় যাবোতীয় কৃষির ক্ষয়ক্ষতি র আবেদন গ্রহণ শুরু হলো প্রথম গ্রাম পঞ্চায়েত পর্যায়ে, যদিওবা কোন কারণে কারুর আবেদন করতে দেরি হয় বা তথ্য যোগাড়ে দেরি হয় তারা ব্লক পর্যায়ে আবেদন করতে পারবেন বলে জানা যায়।

 হাওড়া গ্রামীন জেলার জন্য তেত্রিশটি কোটি পোঁচাত্তর লাখ টাকা অনুমোদন পাওয়া গেছে। 

যতো শিঘ্র সম্ভব এই টাকা কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে সদাতৎপর রাজ্যের মা মাটি মানুষের জননেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশে কৃষি দফতর ও জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ও সদস্য সহ আরো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এগিয়ে এসেছেন দূর্ত কৃষকের অনুদান ও ক্ষয়রাতি তুলে দিতে এলাকায় এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করা ও প্রথম ধাপে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবেদন গ্রহণ করা শুরু হলো। 

আমতা দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত অমরাগড়ি ও জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আবেদন গ্রহণের সূচনা করেন হাওড়া জিলা পরিষদের কৃষি সেচ সমবায় কর্মাধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট আইনজীবী রমেশ চন্দ্র পাল এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পর্যায়ক্রমে আমতা দুই নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মানিক মিদ্যা, অমরাগড়ি ও জয়পুরে প্রধান যথাক্রমে দীলিপ জানা, সুভাষ বর ও এলাকার সদস্য,সদস্যা, এছাড়াও বিভিন্ন স্থানের আপামর জনসাধারণ তথা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক যারপরনাই খুশি হয়েছেন তারা রাজ্য সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

0/Post a Comment/Comments