তৃণমূল নেতার স্ত্রীকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ,

বাবাই সূত্রধর,

দক্ষিণ দিনাজপুর, 




 ۔۔ তৃণমূল নেতার স্ত্রীকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ,তদন্তের স্বার্থে আদালতে পাঠিয়ে পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তকে নিতেই তার কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল উদ্ধার করল পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার ২/১বেলবাড়ি পঞ্চায়েতের গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর নারায়নপুরের।

আক্রান্তের স্বামী তৃণমূল নেতার অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করার জন্যই ভোটের পর থেকে বিজেপি সমর্থকরা এমন ঘটনা করে যাচ্ছে ,

দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী জানাই ।

যদিও বিজেপি জেলা সভাপতি পাল্টা দাবি করেন এটা তৃণমূলের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এমন ঘটনা,তাদের কোনো বিজেপি কর্মীই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় । 

গঙ্গারামপুর থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডু জানিয়েছেন, উত্তর নারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা দেবাশীষ রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনায় বাকি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।  
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ،গত নভেম্বর মাসের ৪ তারিখ রাত্রে উত্তর নারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল নেতা সুমন দাস এর উত্তর নারায়ণপুর এলাকার বাড়িতে গিয়ে এলাকার বিজেপি সমর্থক সমাজবিরোধী ,দুলু রায়,তার স্ত্রী, ছেলে দেবাশীষ রায়,সহ কয়েকজন মিলে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গিয়ে সুমনের স্ত্রী কাকলি মণ্ডল দাসকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে খুনের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ সুমনের।

সুমনকে খুন করার উদ্দেশ্যে ছিল ওই দুষ্কৃতী বিজেপি সমর্থকদের বলে অভিযোগ তার ।

এর পরেই সুমন এর স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় মালদা এবং পরবর্তীতে কলকাতাতে ভর্তি করা হয় ।

ঘটনার পরের দিনই ওই তৃণমূল নেতা সুমন দাস ,এলাকার বিজেপি সমর্থক দুলু রায় , তার স্ত্রী, ছেলে দেবাশীষ রায় সহ সাতজনের নামে গঙ্গারামপুর থানায় খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগ জানায়।

পুলিশ ঘটনা তদন্তে নেমে ঘটনার একদিন পরেই গ্রেপ্তার করে প্রধান অভিযুক্ত দুলু রায়ের স্ত্রীকে। 

আদালতে পাঠায়,কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বাকি অভিযুক্তরা পলাতক ছিল।

গঙ্গারামপুর থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডুর কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে ,ঘটনায় উপযুক্ত দেবাশীষ রায় উত্তর দিনাজপুর হেমতাবাদ থানা এলাকার কোন একটি জায়গায় পালিয়ে রয়েছে আত্মীয় বাড়িতে ।

এরপরেই গোপন সূত্র খবর পেয়ে থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডু নির্দেশে থানার বড়বাবু সমীর মন্ডল ,ঘটনার তদন্তকারী অফিসার আশরাফুল হক এর নেতৃত্বে হেমতাবাদ থানা পুলিশের সহযোগিতায় হানা দেয় ওই গ্রামে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।পুলিশ ঘটনা তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে চায় গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠায়,তিন দিনের পুলিশ হেফাজত পেতেই তদন্তকারী অফিসারের তাকে নিয়ে গিয়ে খুনের চেষ্টা ঘটনা যে পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল তা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

সুমন দাস এর অভিযোগ ،লোকসভা ভোটে জয়লাভ করার পর থেকেই বিজেপি সমর্থকরা এলাকায় খুন-খারাবি রাজনীতি শুরু করেছে পায়ের তলায় মাটি নেই বলে ।

অভিযুক্ত ধরা পড়েছে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায় ,
যদিও তৃণমূল নেতাদের দাবি খারিজ করে দিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার জানিয়েছেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এমন ঘটনা এ বিষয়ে আমাদের কোনো কর্মীরা জড়িত নয়।

ঘটনা ধামাচাপা দিতেই আমাদের উপর দোষারোপ করা হচ্ছে এ ছাড়া আর কিছু নয়। 

থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডু জানিয়েছেন ،অভিযুক্ত নামে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে، পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ হেফাজতে শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

. এলাকার এই সমস্ত বিজেপি দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ায় এলাকায় শান্তি ফিরবে বলে মনে করেছে অনেকেই।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670