রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে উদযাপিত হল শ্রীশ্রী সারদা মায়ের ১৬৭তম পুণ্য জন্মতিথি।

মালদা ঃ 

 রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে উদযাপিত হল শ্রীশ্রী সারদা মায়ের ১৬৭তম পুণ্য জন্মতিথি। 

বুধবার কাকভোর থেকেই মালদা রামকৃষ্ণ মিশন চত্বরে মানুষরা শ্রীশ্রী মায়ের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে জড়ো হতে থাকেন। 




সকাল ৫টায় বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও মঙ্গলারতির দিয়ে শুরু হয় জন্মতিথি উদযাপন। বিশেষ পূজা ও হোম শুরু হয় সকাল ছটায়। 

আশ্রম প্রাঙ্গণে তখন চোখে পড়ার মত জনসমাগম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়।

 সমগ্র চণ্ডীপাঠের শেষে শ্রীশ্রী মায়ের জীবনী ও বাণী আলোচনা করেন মালদা রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী ত্যাগরূপানন্দ মহারাজ। পাঠে শেষে সারদা মায়ের উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন অসংখ্য নারী পুরুষ।

 স্বামী ত্যাগরূপানন্দ মহারাজ বলেন, বাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটি গ্রামে ১৮৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেও শ্রীশ্রী মা তাঁর নিজগুণে বিশ্ব জননী হয়ে উঠেছিলেন। জাত ও ধর্মের ভেদাভেদ তাঁর কাছে মূল্যহীন ছিল।

 তাঁর সেবক স্বামী সারদানন্দ এবং অনুগামী আমজাদের মধ্যে তিনি কখনও পার্থক্য করেন নি। দু’জনকেই সন্তান স্নেহে কাছে টেনে নিয়েছিলেন। 

আবার গোঁড়া খ্রিস্টান পরিবারের সন্তান মারগারেট এলিজাবেথ নোবল’ও তাঁর কাছে অনায়াসে স্নেহের খুকি হয়ে উঠেছিলেন। সব ভেদাভেদ মুছে দিতে তাই আজকের দিনেও শ্রীশ্রী মায়ের বার্তা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। 

এদিন প্রায় ৩০০০ মানুষ মালদহ রামকৃষ্ণ মিশনে প্রসাদ গ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় আরতি শেষে ভজন গান পরিবেশিত হয়।

0/Post a Comment/Comments