কেমন আছো"ময়না"??

বিশেষ প্রতিবেদক,

সবং,প, মেদিনীপুর, 




 রাস্তা যেন পুকুর।মাছ চাষ করা যাবে।ময়না মেদিনীপুর সড়কের ময়না থেকে বলাইপণ্ডা রাস্তার খণ্ডচিত্র। 

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে নিম্ন চাষের জমি হুগলীর খানাকূল আর বর্তমান পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না। প্রায় পনেরো বছর আগে এখানে নজর পড়ে জল বেচার কারবারিদের। 

বর্ষায় হুলস্থুল হাবুডুবু খেতে খেতে চাষীরা চাষ করে পেতেন না ভরা ফসল।অতি বর্ষণে নষ্ট হত মাঠে বর্ষাকালীন আমন চাষ। 

বর্তমানে ৮০ টি মৌজার ময়না কৃষি বিমুখ।অধিক রোজগারের হাতছানিতে মৎস্য চাষী,ভেড়ি ব্যবসায়ীদের কবলে ময়নার প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ কৃষিজমি।প্রথম দিকে বর্ষার কয়েকমাস অস্থায়ী লীজ প্রথায় হত মাছ চাষ। 

শীতকালীন রবিফসল উন্নত ফলনশীল ধান চাষ হয়। বোশেখ মাসে মাছের চাষের জন্য জমি ছেড়ে দিতেন কৃষক, কার্তিক মাসে শুরু হত রবিফসলের তোড়জোড়। কিন্তু হায় অধিক রোজগারের লোভ মৎস্য চাষীর প্রলোভনে বন্ধ হোল চাষ। সড়কটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। 




পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং,পিংলা,নারায়নগড়, খড়্গপুর গ্রামীণ ব্লকের মানুষের পূর্ব মেদিনীপুর ও রাজ্যের প্রাণকেন্দ্রের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সড়কের দুধারেই প্রায় সড়কের সম উচ্চতায় জল দাঁড়িয়ে থাকে বারমাস। 

রাস্তার উপর মাছ লোডিং চলে অবাধে।সারাবছর রাস্তায় জমে থাকে জল।




 খানাখন্দ ভরা সড়কে যান চলাচল বিপজ্জনক,ঘটে চলে দূর্ঘটনা। এখন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের যোগাযোগ কারী সেতু কংসাবতী নদীর উপর উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

চলছে প্রশস্ত রাস্তা তৈরীর কাজ।কিন্তু কাঠের বল্লি দিয়ে পথের দুদিকে পাঁচিল দেওয়া হচ্ছে। কেন গার্ড ওয়াল নয়?? কেন যারা রাস্তা ক্ষতি করে এত কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছেন তারা গার্ড ওয়ালের খরচ দেবে না।

 বর্ষাকাল বাদ দিলে বছরের বাকী মাসগুলো মাঠে ৪ ফিটের বশী উচ্চতার জল ধরে রাখতে যে পরমান ভূগর্ভস্থ জল তোলা হচ্ছে তাতে পানীয় জলের অপচয় হচ্ছে কিনা।




 বিদ্যুৎ দপ্তর,পূর্ত দপ্তর,সেচ দপ্তর নীরব কেন?? এখানে যাঁরা অনিচ্ছুক কৃষক তাঁদের দেখবে কে??? মাছের চাষ করতে যে সকল রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে,যে পরিমাণ ভূগর্ভস্থ জল তোলা হচ্ছে,তার দায় কী প্রশাসনের নয়???

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670