পোল্ট্রি ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

রায়গঞ্জ। 




 পোল্ট্রি ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। 

খুনে জড়িত সরাসরি তার ব্যবসায় ব্যবহৃত গাড়ির চালক ও তার পরিবার।

 ঘটনায় দুজন মহিলা সহ মোট পাচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

 নিজের দফতরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার। 

 উল্লেখ্য, নবমীর রাতে করণদিঘি বাসস্ট্যান্ডের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নিজের পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করছিলেন সুবেশ দাস ও তাঁর ম্যানেজার বাবলু সিংহ। 

 আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী ওই ফার্মে ঢুকে সুবেশ বাবুকে গুলি করে বাবলু সিংহকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে চম্পট দেয়। 




 স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ওই দুইজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় করণদিঘি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আহত দুইজনকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সুবেশ দাসকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

  এরপর তদন্তে নামে করনদিঘি থানা ও জেলার স্পেশাল ক্রাইম সেলের পুলিশ। 

 এদিকে তদন্তে নেমে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মৃতের গাড়ির চালক মহঃ নদিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

 এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার স্ত্রী বিবি আশরফা, নাদিমের শ্যালিকা মরজীনা এবং নাদিমের দুই শ্যালক সাজ্জাদ এবং মুরতুজ আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 পুলিশ সুত্রে দাবী, এই খুনের ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অর্থের লোভ। ব্যবসার কাজের জন্য ওই ব্যবসায়ী তার ফার্মেই প্রচুর নগদ টাকা রাখতেন বলে সেই টাকাই ছিনতাই করার উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। 

 এদিন ধৃতদের কাছ থেকে পনেরোটি মোবাইল এবং একটি আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

 এদিকে মরজীনার এর আগেও এই ধরনের ডাকাতি এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিলে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। 

 তাছাড়া এই খুনের ঘটনায় এর আগেও একজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। 

 তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করে করনদিঘির বড়াশুয়ার এলাকার বাসিন্দা এই পাচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন, "মুলত টাকার লোভেই ডাকাতি করতে গিয়েই এই খুন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। 

 তবে আরো কি রহস্য আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় আরো যারা জড়িত তাদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।"

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670