ডিজিটাল আলো কেন্দ্র করে বাজার মাতিয়েছে রংবেরঙ্গের বৈদ্যুতিক লাইট।

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 উঃ দিনাজপুর। 




 হাতে আর কয়েক দিন তার পর আপাময় দেশ বাসি আলোর উৎসব অর্থাৎ দীপাবলি উৎসবে মেতে ঊঠবেন। 

ডিজিটাল আলো কেন্দ্র করে বাজার মাতিয়েছে রংবেরঙ্গের বৈদ্যুতিক লাইট। যা টুনিবাল্প নামে পরিচিত। এই টুনিবাল্পের দৌড়ত্বে প্রতিবছর মার খেয়েছে জেলার সাবেকি প্রদীপ শিল্পীরা। 

আর তাই টুনিবাল্পের সঙ্গে পাল্লা দিতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ৮ নম্বর মুস্তফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুনোরের হাটপাড়া গ্রামের টেরাকোটা শিল্পীরা।




 তাঁরা সাবেকী প্রদীপ বানানোর পাশাপাশি সাধারন মানুষদের নজর কারতে নতুন টেরাকোটা মডেলের প্রদীপ তৈরি করতে ব্যস্ত রাত দিন। 

বাকুড়া, বীরভূমের টেরাকোটার আদলে কালিয়াগঞ্জের হাটপাড়ার মৃৎ শিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। 

তাই নাওয়া খাওয়া ভুলে এই গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে সকল সদস্য মিলে টেরাকোটার আধুনিক ডিজাইনের প্রদীপ বানিয়ে চলেছেন। 




 তারা নানা ধরনের সুজজ্জিত প্রদীপের ঝাড় বা স্ট্যান্ড প্রদীপ ও পঞ্চ প্রদীপ,আলাদিনের প্রদীপ,নারকেল প্রদীপ,ম্যাজিক প্রদীপ, গণেশ প্রদীপ সহ আরো নানা ধরনের প্রদীপ তৈরি করছেন। 

এবছর এই গ্রামের মৃৎ শিল্পীরা কয়েক হাজার এরকম প্রদীপ বানিয়েছেন। তা এখন রোদে শুকিয়ে আগুনে সযত্নে পুড়িয়ে বাজারজাত করার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান শিল্পীরা।




 আজ তাঁদের প্রদীপ শুধু জেলার মধ্যেই সিমাবদ্ধ নেই, এরই মধ্যে অন্যান্য জেলা সহ ভিন রাজ্য থেকে হাটপাড়ার মৃৎ শিল্পীদের কাছে একাধিক ডিজাইনের প্রদীপের অর্ডার এসে পৌঁছেছে। 

গোটা ভারত বর্ষ জুড়ে যখন মোমবাতি ও টুনিবাল্পের রমরমা ঠিক সেই সময় দাঁড়িয়ে কালিয়াগঞ্জের হাটপাড়ার গ্রামের মৃৎ শিল্পীরা বিদেশী মোমবাতি ও টুনিবাল্পকে টেক্কা দিতে বদ্ধপরিকর। 

এলাকার মহিলা মৃৎশিল্পীরা জানান, ছেলে সহ মেয়ে বাড়ির গৃহিণীরাও সংসারের কাজ শেরে অত্যাধুনিক টেরাকোটার প্রদীপ বানাতে সহযোগিতা করছেন। 

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন লোন এবং বিভিন্ন সময়ে মেলার আয়োজন করা হয় বলে তাদের এই কাজটার দিকে ঝোক বাড়ছে। কম বেশি মিলিয়ে প্রায় বেশ কিছু পরিবার এখোন এই কাজের সাথে যুক্ত হতে পেরেছে। 

 বাজারে টুনি বাল্পের যতই রমরমা থাকুক না কেন, দিন দিন এই টেরাকোটার প্রদীপের চাহিদা বেড়েই চলেছে। শুধু জেলা নয় ভিনরাজ্য থেকে ব্যবসায়ীরা এসে টেরাকোটার প্রদীপের অর্ডার দিয়ে যাচ্ছে। 

একটা টুনি বাল্প দিন চলবে? এই প্রদীপ ব্যবহারের পর যত্ন করে রাখলে তা বেশ কয়েক বছর চলে যাবে। 

বাড়ি থেকে প্রদীপ পাইকারের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি আমরা কোলকাতা, আসানসোল, বর্ধমান, শিলিগুড়ি সহ ভিন রাজ্যের বিভিন্ন মেলাতে অংশ নিই।

 ডিজাইন অনুযায়ী প্রতিটি প্রদীপ ৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।এবং কি তার চেয়েও বিশি দামের প্রদীর বানিয়ে থাকেন বলে জানান বলে জানান মৃৎ শিল্পীরা। 

 এই টেরাকোটার প্রদীপ বানিয়ে বেশি লাভ পাওয়া যায় বলে আমরা সাবিকি প্রদীপের সাথে সাথে বিভিন্ন ডিজাইনের টেরাকোটার প্রদীপ বানানোর বেশি জোর দিয়ে থাকে।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670