আন্ত্রিকে আক্রান্ত গোটা গ্রাম। সরকারী চিকিৎসা পরিসেবা নেই বললেই চলে, ঝাড়ফুঁক ই ভরসা গ্রামবাসী দের।।

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

মালদা। 

 আন্ত্রিকে আক্রান্ত গোটা গ্রাম। সরকারী চিকিৎসা পরিসেবা নেই বললেই চলে। চাচোল মহাকুমা শাসকের প্রতিশুতি সার।




তাই আন্ত্রিকে আক্রান্তদের এখন ভরসা তান্ত্রিকে।ঝাঁড় ফুকের মাধ্যমে চলছে আন্ত্রিক নিরাময়ের কান্ড। আবার অনেকে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। 

এমনই পরিস্থিতি আন্ত্রিক আক্রান্ত চাচোল ২নং ব্লকের খেমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রানিদিঘী গ্রাম। আধিবাসী অধ্যুষিত এই গ্রামে ৯০টি পরিবার রয়েছে। 

গত সাতদিন ধরে গ্রামের প্রতি ঘরের সদস্যরা আন্ত্রিকে আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। 




এখনও সরকারী হিসাবে ২২জন আক্রান্ত।ঘটনার খবর পেয়ে চাচোল মহাকুমা শাসকের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল এলাকা পরিদর্শনও করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আস্থা দিয়েছেন। 
 
কিন্তু ভরসা নেই গ্রামবাসীদের। আন্ত্রিকের আতঙ্ক এলাকাবাসীকে এতটাই গ্রাস করেছে যে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। আবার যাদের বিকল্প কোন উপায় নেই তারা শরনাপন্ন হচ্ছেন এলাকার গুনী ওঝাদের কাছে। 

এলাকার গুনী ওঝারাও ঝাঁড়ফুকের মাধ্যমে রোগ সারাচ্ছেন। এলাকার এক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা জানান একবিংশ শতাব্দীতে এমন দশা গ্রামাঞ্চলের ভাবতে লজ্জা লাগে।

 এখনও কুসংস্কারাচ্ছন্নে পিছনে রয়েছে সরকারী সুবিধা সাধারণ বাসিন্দাদের কাছে না পৌছানোর প্রভাব।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী হত দরিদ্র আধিবাসী সহ সমাজের সর্বত্র উন্নয়ন ও পরিসেবা পৌছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। 



কিন্তু তা সরকারী আমলাদের গড়িমসিতে বাস্তব রূপ পাচ্ছে না। রানিদিঘী গ্রামে আন্ত্রিকের প্রকোপের খবর পেয়েও স্বাস্থ্যকর্তা থেকে প্রশাসনিক কর্তাদের হুঁশ নেই। প্রকোপ দুর করতে উদ্যোগ গ্রহন করেন নি তারা।তাই রোগ নিরাময়ে গ্রামবাসীদের ঝাঁড়ফুকই ভরসা। 

যদিও চাচোল ২নং ব্লকের আধিকারিক জানান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্প খোলা হয়েছে।সচেতনার ক্যাম্পও করা হবে এলাকায়।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670