বৃহস্পতিবার রাত্রে দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়।

মালদা-




বৃহস্পতিবার রাত্রে দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়। 

বঙ্গীয় গ্রামীন বিকাশ ব্যাঙ্ক এর আধিকারিক বাড়িতে টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা পিছু ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলে।

 গণধোলাই এরপর স্থানীয়রা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বাকিরা পলাতক। পুলিশ ধৃতের কাছে পলাতক দুই অভিযুক্তের নাম ঠিকানা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয়দের বক্তব্য এই ঘটনার পেছনে স্থানীয় কেউ জড়িত থাকতে পারে। 

পুলিশকে বলা হয়েছে এ ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় কেউ জড়িত থাকলে তার নাম উদ্ধারের জন্য। পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যাংক কর্মীর কাছে 3 লক্ষ 25 হাজার টাকা ছিল। এই ঘটনায় আতঙ্কিত ভালুকা ফাঁড়ি এলাকা। 




 ঘটনাটি ভালুকা ফাঁড়ির অন্তর্গত ফতেপুর গ্রামের। টাকা ছিনতাই হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাংক শাখার সিএসপি তপন মন্ডলের। 

বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ তিনি একটি ব্যাগে করে ব্যাংকের 3 লক্ষ 25 হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি আসছিলেন। সঙ্গে ছিল ব্যাংকের এইচ এস টি মেশিন। বাড়ি আসার একটু আগেই ফতেপুর বাগানের কাছে আসতেই ছিনতাইবাজদের একজন তার মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে তার ব্যাগ এবং মেশিন নিয়ে পালায়। 

ভালুকা স্ট্যান্ডের কাছে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাদের তিনজনকে মোটরবাইকে পালাতে দেখে পিছু ধাওয়া করলে এক ছিনতাইবাজকে ধরে ফেলেন। ধৃত ওই ছিনতাইবাজের নাম মনজুর আলম। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে তার বাড়ি চাচলে। বাকি দুজনের নাম কালু ও লুক্কা বলে জানিয়েছে ধৃত মনজুর ‌। 

আক্রান্ত ব্যাঙ্ক কর্মী তপন মন্ডল এদিন জানিয়েছেন, আমি টাকা এবং এইচটি মেশিন নিয়ে বাড়িতে আসার সময় এক ছিনতাইবাজএসে আমার মাথার উপর রিভলভার ধরে। পরে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। 

বাধা দিলে সে আকাশের দিকে একটি ফায়ারিং করে। তারপর আমার হাতের ব্যাগ এবং মেশিন সহ আমার এন্ড্রয়েড মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালাই। আমার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে যায় ওই ছিনতাইবাজের দিকে। 

এখনো টাকা গুলি উদ্ধার হয়নি যদিও। গ্রাহকদের টাকা, ব্যাংকে পরের দিন থেকে এসেই গ্রাহকেরা টাকার জন্য চাপ দেবে। সবমিলিয়ে আতঙ্কে রয়েছি। অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে নিতাই ঘোষ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমরা চোখের সামনে দেখতে পাই আমাদের এখানে কালী মন্দির এর কাছে একটি বাইক দাঁড় করানো ছিল।

 হঠাৎ দুজনে সে ওই বাইকে বসে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় পেছন থেকে আরেকজন গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করে। ততক্ষণে গাড়ি গতি নিয়ে নেওয়াই পেছনের ছেলেটি গাড়িতে উঠতে পারে না‌।

 ততক্ষণে আমরা পিছু ধাওয়া করে পেছনের ছেলেটিকে ধরে ফেলি। তার মুখে জানতে পারি তার নাম মনজুর আলম। পরে পুলিশের হাতে আমরা তুলে দিই। আমরা নিশ্চিত এই ছিনতাইয়ের ঘটনার পেছনে স্থানীয় কেউ জড়িত রয়েছে।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670