দানবীর শাহরুখ খান সবার হৃদয়ে দাগ কাটলেন






ফারুক আহমেদ ,প্রতিবেদক,,


এমুহূর্তে শাহরুখ খান সবার হৃদয়ে দাগ কাটলেন দানবীর হয়ে। করোনা ভাইরাস থেকে দেশকে বাঁচাতে আর্থিক সাহায্য নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে শাহরুখ খান নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করতে এগিয়ে এলেন। 



বিভিন্ন রাজ্যে শাহরুখ খান এর টিম সাহায্য নিয়ে কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই তিনি কোটি কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য করেছেন। বাংলা, দিল্লি, মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রী শাহরুখ খান এর কাজে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। 



শাহরুখ খান ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিপুল অর্থ দান করেছেন। 



শাহরুখ খান বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় অভিনেতা। 

শাহরুখ খানের ভক্ত সংখ্যা অফুরন্ত। 

শাহরুখ খানের জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৬৫ সালে।
অনানুষ্ঠানিকভাবে তার নামের আদ্যক্ষর দিয়ে গঠিত এসআরকে নামে ডাকা হয়। তিনি একজন ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং মানবসেবী।




গণমাধ্যমে "বলিউডের বাদশাহ", "বলিউডের কিং" ও "কিং খান" হিসেবে পরিচিত শাহরুখ খান। ইতিমধ্যেই তিনি  ৮০ টির অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

 অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন, তারমধ্যে রয়েছে চৌদ্দটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, যার আটটিই শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার। 




হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০২ সালে ভারত সরকার শাহরুখ খানকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে এবং ফ্রান্স সরকার তাকে অর্দ্র দে আর্ত এ দে লেত্র ও লেজিওঁ দনর সম্মাননায় ভূষিত করে।

অভিনেতা হিসেবে বৈশ্বিক অবদানের জন্য শাহরুখ খানকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে স্কটল্যান্ডের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়। এশিয়ায় ও বিশ্বব্যাপী ভারতীয় বংশোদ্ভূত তার প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ভক্ত রয়েছে এবং তার মোট অর্থসম্পদের পরিমাণ ২৫০০ কোটি রুপি-এরও বেশি।

ওয়েলথ-এক্স সংস্থার বিচারে বিশ্বের সবথেকে ধনী হলিউড, বলিউড তারকার তালিকায় শাহরুখ খান দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন। দর্শক ও আয়ের দিক থেকে তাকে বিশ্বের অন্যতম সফল চলচ্চিত্র তারকা বলে অভিহিত করা হয়।



শাহরুখ খান ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে বেশ কিছু টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে প্রথম বড়ো পর্দায় মুক্তিপ্রাপ্ত দিওয়ানা'র মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। তিনি কর্মজীবনের শুরুর দিকে খল নায়ক চরিত্রে ডর (১৯৯৩), বাজীগর (১৯৯৩), ও আঞ্জাম চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং খ্যাতি অর্জন করেন, তারমধ্যে রয়েছে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে (১৯৯৫), দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায়(১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), ও কভি খুশি কভি গম...(২০০১)। তিনি দেবদাস (২০০২)-এ মদ্যপ জমিদার পুত্র দেবদাস মুখার্জি, স্বদেশ (২০০৪)-এ নাসারবিজ্ঞানী, চাক দে! ইন্ডিয়া (২০০৭)-এ হকি কোচ ও মাই নেম ইজ খান (২০১০)-এ অ্যাসপারগারের লক্ষণে আক্রান্ত ব্যক্তি চরিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন। তার সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রসমূহ হল প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক চেন্নাই এক্সপ্রেস (২০১৩), উত্তেজনাপূর্ণ হাস্যরসাত্মক হ্যাপি নিউ ইয়ার (২০১৪), মারপিটধর্মী দিলওয়ালে (২০১৫) এবং অপরাধমূলক রইস (২০১৭)।

শাহরুখ খান চলচ্চিত্র প্রযোজনা কোম্পানি রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট ও এর সহযোগী সংগঠনের সহ-চেয়ারম্যান এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ও ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগের দল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের সহ-কর্ণধার। 



তাঁকে প্রায়ই টেলিভিশন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও স্টেজ শোতে পরিবেশনা করতে দেখা যায়। পণ্যের শুভেচ্ছাদূত ও শিল্পোদ্যোগের জন্য গণমাধ্যম তাকে প্রায়ই "ব্র্যান্ড এসআরকে" বলে উল্লেখ করে থাকে। শিশুদের শিক্ষায় সহায়তার জন্য ইউনেস্কো তাকে পিরামিড কন মার্নি পুরস্কার প্রদান করে এবং ভারতে নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষার্থে তার নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তাকে ২০১৮ সালে ক্রিস্টাল পুরস্কার প্রদান করে। তাঁকে প্রায়ই ভারতের সংস্কৃতির সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পেতে দেখা যায়। 

২০০৮সালে নিউজউইক তাকে বিশ্বের ৫০ ক্ষমতাধর ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়।

শাহরুখ খান বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670