বেজিং ক্রমশ ঝুঁকছে জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্রের দিকে।


 অভিজিৎ হাজরা:-।     



              
                               এই মুহূর্তে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা"হু",করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে বলে ঘোষণা করেছে। এই পরিস্থিতির জন্য চিন দায়ী।জানা যায় চিন, কানাডার গবেষণাগার থেকে করোনা ভাইরাসের জীবাণু চুরি করে,উহানের জৈব গবেষণাগারে নিয়ে যায়। চিনের গবেষকরা সেই গবেষণাগারে করোনা ভাইরাসের জিন বদলে দেয়।এর ফলে করোনা ভাইরাসের ক্ষমতা কয়েক কোটি গুণ বেড়ে যায়।চিন বদলে দেওয়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসকে জীবাণু যুদ্ধের জন্য ক্যাপসূল বন্দী করতে থাকে। করোনা ভাইরাসের অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন প্রাণঘাতী এই ক্যাপসূল ফেটে উহানের গবেষণাগারের বাইরের বাতাসে মিশে যায়।              


        
চিন চেয়েছিল, শত্রু দেশকে শায়েস্তা করবে এই করোনা ভাইরাস ক্যাপসূল দিয়ে। এই ভাবেই রাসয়নিক গ্যাসের ক্যাপসূল দিয়ে শত্রুদের মেরেছিল সাদ্দাম হোসেন। জাপানের হিরোশিমা-নাগাসাকি যমজ শহরে পরমাণু বোমা ফেলছিল আমেরিকা।

 নোভেল করোনাভাইরাস জিনের গঠন বদলে ভয়ঙ্কর রাসয়নিক মারণাস্ত্র হয়ে উঠেছে।এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মার্কিন অধ্যাপক-আইনজীবী ও রাসায়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড.ফ্রান্সিস বয়েল।





ফ্রান্সিস বয়েলের বক্তব্য, নোভেল করোনা ভাইরাস জিনের গঠন বদলে আর ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। সাধারণ করোনা থেকে এর বিষ অনেক বেশি হয়েছে।জিন বদল করা অর্থাৎ জেনেটিক্যাল মডিফায়েড এই করোনা ভাইরাসের জম্মদাতা উড়ানের বায়োসেফটি গবেষণাগার লেভেল ফোর।এই তথ্য আগে থেকেই জানত"বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু"।  

      
             এমনই বিস্ফোরক দাবি আন্তর্জাতিক একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন মার্কিন আইনজীবী তথা রাসয়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড. ফ্রান্সিস বয়েল।


 তিনি জোর কন্ঠে দাবি করেছেন, জিন বদল করা শক্তিশালী রাসয়নিক মারণাস্ত্র করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে  উহানের ল্যাবরেটরি থেকেই। ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়েস কলেজের আইনের অধ্যাপক ড. ফ্রান্সিস বয়েল রাসয়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংগঠনের ওঅন্যতম কর্ণধার। 


তাঁর উদ্যোগেই ১৯৮৯ সালে বায়োলজিক্যাল-ওয়েপেনস অ্যান্টিটেররিজম এ্য।ক্ট বিল পাস হয়।ড.ফ্রান্সিস আগেই বলেছিলেন, নোভেল করোনা ভাইরাস যে নিছকই কোন ভাইরাসের সংক্রমণ নয়।ইছরায়েলি গোয়েন্দা ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে ড. ফ্রান্সিস বয়েল বলেন,উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবরেটরিতে অতি গোপনে রাসয়নিক মারণাস্ত্র বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।





আর সেখান থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। সি-ফুড মার্কেটের ব্যাপারটা নেহাতই চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা। এই তথ্য বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা"হু" গোটা বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।ড. ফ্রান্সিস বয়েল বলেন,উড়ানের এই বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবরেটরিকে সুপার ল্যাবরেটরির তকমা দিয়েছিল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা"হু"।

বলা হয়েছিল, এই গবেষণাগারে ভাইরাস নিয়ে কাজ হলেও তার অনেক বেশি সুরক্ষিত ও নিরাপদ। গবেষণাগারের জন্য ই রয়েছে আলাদা উইং যার বাইরের পরিবেশের সঙ্গে কোন ও যোগাযোগ নেই।     

      
ড.ফ্রান্সিস বয়েল বলেন সার্স ও ইলোরা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার পরে অভিযোগের আঙুল ওঠে এই গবেষনাগারে র দিকেই।রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং প্রাণঘাতী জৈব অস্ত্র বানাতেই মত্ত গবেষকরা।যারই পরিণতি হাজার হাজার মৃত্যু। নোভেল করোনা ভাইরাসের জিনগত বদল ঘটানো হয়েছে ও উহানের গবেষণাগার থেকেই যে ভাইরাস ছড়িয়েছে সেটা ও জানেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা"হু" র অনেক  গবেষকরাই।   
                
নোভেল করোনা ভাইরাস যে মারণাস্ত্র,তা নিশ্চিত করেছেন মার্কিনসেনেটর টম কটন ও। কটনের দাবি,চিন জীবানু যুদ্ধের জন্য যে বানাচ্ছিল ওই ভাইরাস সেকথা চিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং লুকোতে চাইছেন,কারণ আন্তর্জাতিক আইনে জীবাণু যুদ্ধ নিষিদ্ধ। তাঁরা যে এই নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন তা জানাজানি হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।      
       
২০১৫ সালে রেডি ও ফ্রি এশিয়া তাদের সমীক্ষায় দাবি করেছিল, চিনের উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী সব ভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। 

বেজিং ক্রমশ ঝুঁকছে জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্রের দিকে।সেই আশঙ্কাই প্রমাণ হল,চিন জীবানু যুদ্ধের জন্য করোনা ভাইরাসের জিন বদল ঘটিয়েছে।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670