কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গঙ্গারামপুর নন্দন পুরের ঘটনার তদন্তে এলেন জেলা আইনি পরিষেবা চেয়ারম্যান তথা বিচারক কুসুমিতা দে মিত্র।

বাবাই সূত্রধর,

দক্ষিণ দিনাজপুর,৪ ফেব্রুয়ারি; 




কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গঙ্গারামপুর নন্দন পুরের ঘটনার তদন্তে এলেন জেলা আইনি পরিষেবা চেয়ারম্যান তথা বিচারক কুসুমিতা দে মিত্র।এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনার তদন্ত করেন তিনি। 

পাশাপাশি স্মৃতি কণা দাস এর নিরাপত্তাসহ মূল অভিযুক্ত এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি কেন? সে বিষয় নিয়েও জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন আইনি পরিষেবা চেয়ারম্যান তথা বিচারক কুসুমিতা দে মিত্র। 

 গত শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানা নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেনগর এলাকায় জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। 

অভিযোগ জমির উপর দিয়ে জোর করে রাস্তার তৈরীর কাজ করছিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমল সরকার সহ বেশ কিছু তৃণমূল কর্মীরা।

বিষয়টা নিয়ে বাড়ির সদস্য স্মৃতি কণা দাস ও তার দিদি বাধা দিলে তাদের হাত পা বেঁধে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানীর ও খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনার শিকার হন শিক্ষিকা ও তার দিদি। 

ঘটনার ভিডিওটি ভাইরাল হয়। স্থানীয় উপপ্রধান অমল সরকারসহ পাঁচ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

 অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার গোবিন্দ সরকার ও তপন শীল নামে দুজন কুখ্যাত সমাজ বিরোধী অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ।

 মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত শুক্রবার শিক্ষিকার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্তে আসেন জেলা আইনি পরিষেবা চেয়ারম্যান তথা বিচারক কুসুমিতা দে মিত্র। 

এদিন তিনি ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আশেপাশের মানুষজনেদের কাছ থেকে বহু তথ্য সংগ্রহ করেন। স্মৃতি কণা দাস এর নিরাপত্তাসহ এখনো পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমল সরকার কেন অধরা রয়েছেন সে বিষয়টি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

এ বিষয়ে স্মৃতি কণা দাস ও তার ভাই জানিয়েছেন, আতঙ্ক কিছুটা হলেও রয়েছে যেহেতু মূল অভিযুক্ত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান এখনো অধরা রয়েছে, তাই আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক সে বিষয়টি নিয়ে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছি। 

এ বিষয়ে বিষয়ে জেলা আইনি পরিষেবা চেয়ারম্যান তথা বিচারক কুসুমিতা দে মিত্র জানিয়েছেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে আজ শুক্রবার এর ঘটনার তদন্ত করতে এসেছিলাম। আশেপাশের মানুষদের কাছ থেকে যে সমস্ত তথ্য পেয়েছি তা হাইকোর্টে পেশ করব।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
Contact for advertising : 9831738670